Bengali Subjectবাংলা সাহিত্যের ইতিহাস

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। মঙ্গল কাব্য। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। Mangalkabya

মঙ্গল কথাটির অর্থ কল্যাণ। মধ্যযুগে রচিত দৈব মাহাত্ম্য প্রচারমূলক আখ্যান কাব্যকে মঙ্গলকাব্য বলে।

প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় – পৌরণিক ও লৌকিক

মঙ্গলকাব্য অন্য যে নামে পরিচিত তা হচ্ছে = আখ্যান কাব্য

মঙ্গলকাব্যের মূল উপজীব্য = দেবদেবীর গুণগান

মঙ্গলকাব্যের রচনাকাল = পঞ্চদশ–অষ্টাদশ শতকের শেষ অবধি

মঙ্গলকাব্যের প্রধান শাখা = ৩টি (মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল এবং ধর্মমঙ্গল)। অপ্রধান শাখা = ২ টি (অন্নদামঙ্গল, কালিকামঙ্গল)

মঙ্গলকাব্য বিভক্ত = ২ ভাগে (পৌরাণিক ও লৌকিক কাব্য)

উল্লেখযোগ্য পৌরাণিক মঙ্গলকাব্যগুলো হল = ভবানীমঙ্গল, অন্নদামঙ্গল, কমলামঙ্গল, দূর্গামঙ্গল, চণ্ডিকামঙ্গল

উল্লেখযোগ্য লৌকিক মঙ্গলকাব্যগুলো হল = শিবায়ন বা শিবমঙ্গল / কালিকামঙ্গল / বিদ্যাসুন্দর, মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল / গৌরীমঙ্গল, শীতলামঙ্গল, রায়মঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, সূর্যমঙ্গল

মঙ্গল শব্দটি উল্লেখ থাকার পরও মঙ্গলকাব্য হিসেবে বিবেচিত নয় = চৈতন্যমঙ্গল, গোবিন্দমঙ্গল এবং সারদামঙ্গল

একটি সম্পূর্ণ মঙ্গলকাব্যে প্রধান অংশ থাকে = ৪টি (বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখণ্ড, নরখণ্ড ও আখ্যায়িকা)

মঙ্গলকাব্যে প্রধানত ব্যবহৃত হয়েছে = পয়ার ছন্দ

ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের মতে মঙ্গলকাব্যে সন্ধান পাওয়া গেছে = ৬২ জন কবির

মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবদেবী হলেন- মনসা, চন্ডী, ধর্মঠাকুর ও শিব

মঙ্গলকাব্যের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল মনসামঙ্গল।

মঙ্গলকাব্যের প্রাচীনতম ধারা হল ‘মনসামঙ্গল’।

মনসামঙ্গল কাব্য রচিত হয় = সুলতান হুসেন শাহর সময়ে

মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মপুরাণ’।

মনসামঙ্গল কাব্যের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো = মনসাদেবী , চাঁদ সওদাগর, বেহুলা ও কেতকা দেবী

মনসামঙ্গল কাব্যের কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য = কানাহরি দত্ত, বিজয়গুপ্ত, দ্বিজ বংশীদাস, নারায়ণ দেব, বিপ্রদাস পিপলাই, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় মনসামঙ্গল কাহিনী = চাঁদ সওদাগরের বিদ্রোহ ও বেহুলার সতীত্ব কাহিনী

মধ্যযুগের সবচেয়ে প্রতিবাদী চরিত্র = চাঁদ সওদাগর

মনসা দেবীর অপর নাম = কেতকা / পদ্মাবতী

মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম = পদ্মপুরাণ

মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি = কানাহরি দত্ত

‘মূর্খে রচিল গীত না জানে মাহাত্ম্য। প্রথমে রচিলা গীত কানা হরিদত্ত।”

বিজয় গুপ্তের কাব্যের এই চরণ দুটি থেকে জানা যায় কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি।

    কানা হরিদত্ত কে আদি কবি বলেছেন বিজয় গুপ্ত।

    মনসামঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি = বিজয় গুপ্ত

    ফুল্লশ্রী গ্রামে বিজয় গুপ্ত জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পূর্ববঙ্গের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি।

    বিজয় গুপ্তের পিতার নাম সনাতন ও মাতার নাম রুক্মিণী। তিনি নিজেকে ‘সনাতন তনয় রুক্মিণী গর্ভজাত’ বলেছেন।

    সুলতান হোসেন শাহের আমলে বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন। তাঁর মনসামঙ্গল কাব্যটি “পদ্মাপুরাণ নামেও জনপ্রিয়।

    বিজয় গুপ্তের পদ্মাপুরাণ কাব্যের রচনাকাল জ্ঞাপক শ্লোক-
    ‘ঋতুু শশী বেদশশী পরিমিত শক’
    সুলতান হসেন শাহ নৃপতি তিলক।।’

    -অর্থাৎ ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে তার কাব্যটি রচিত হয়।

    পদ্মা পুরাণ কাব্যের রচয়িতা বিজয় গুপ্তের ছদ্মনাম হলো রাধানাথ

    মনসামঙ্গলের কবি দ্বিজ বংশীদাসের খ্যাতি ছিল= সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবে

    মনসামঙ্গলের একমাত্র পশ্চিমবঙ্গীয় কবি = ক্ষেমানন্দ
    মনসামঙ্গলের কবি ক্ষেমানন্দের উপাধি ছিল = কেতকাদাস

    Read More : নাট্যসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান

    কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত কাব্যটির নাম মনসামঙ্গল।

    “মনসামঙ্গল” কাব্যের বাইশ জন কবি রচিত বিভিন্ন অংশের সংকলনকে বলা হয় = বাইশা

    বাংলায় ‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের তিনটি ধারা দেখা যায়-
    ১. রাঢ়ের ধারা।
    ২. পূর্ববঙ্গের ধারা।
    ৩. উত্তরবঙ্গ ও কামরূপের ধারা।

    রাঢ়ের ধারার কয়েকজন উল্লেখযোগ্য কবি হলেন- বিপ্রদাস পিপলাই ,কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, সিতারাম দাস ও রসিক মিশ্র প্রভৃতি কবিগণ

    মনসামঙ্গল কাব্যের পূর্ববঙ্গের ধারার কয়েকজন উল্লেখযোগ্য কবি হলেন- নারায়ন দেব, বিজয় গুপ্ত ও বংশী দাস

    মনসামঙ্গল কাব্যের উত্তরবঙ্গ ও কামরূপের ধারার কয়েকজন উল্লেখযোগ্য কবির নাম হল- তন্ত্রবিভূতি, জগজ্জীবন ঘোষাল, জীবনকৃষ্ণ মৈত্র

    বিপ্রদাস পিপলাই এর কাব্যের নাম-’মনসা বিজয়’।

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম = অভয়ামঙ্গল / ভবানী মঙ্গল / অধিকামঙ্গল / গৌরীমঙ্গল

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী রূপায়িত হয়েছে = শিবের পত্নী চণ্ডী দেবীর কাহিনী অবলম্বনে

    চণ্ডীর অপর নাম = রনদা

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বাধিক প্রসার ঘটে = ষোড়শ শতকে

    চণ্ডীমঙ্গলের উল্লেখযোগ্য কবি = মুকুন্দ চক্রবর্তী, মানিক দত্ত, দ্বিজ মাধব, দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী প্রমুখ

    ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কাহিনী বিভক্ত = ২ খণ্ডে (অখেটিক খণ্ড ও বণিক খণ্ড)

    অখেটিক খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে = কালকেতুর কাহিনী

    বণিক খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে = ধনপতির কাহিনী

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ছত্রসংখ্যা = প্রায় বিশ হাজার

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি = মানিক দত্ত

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বশেষ কবি = অকিঞ্চন চক্রবর্তী
    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি = মুকুন্দ চক্রবর্তী

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি = কবিকঙ্কণ (তাকে এই উপাধি দেয় জমিদার রঘুনাথ রায়)। রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেছিলেন তিনি।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর জন্মস্থান বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে।

    মুকুন্দ চক্রবর্তী চন্ডীমঙ্গল কাব্য লেখেন বাংলার সুবেদার মানসিংহের রাজত্বকালে।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর কাব্যের নাম – ‘অভয়ামঙ্গল’।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর চন্ডীমঙ্গল ‘গৌরী মঙ্গল’, ‘অভয়ামঙ্গল’ এবং ‘অম্বিকা মঙ্গল’ নামে পরিচিত।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর কাব্যের দুটি খন্ড-১.আখেটিক খণ্ড আর ২. বণিক খণ্ড।
    আখেটিক খণ্ডের চরিত্র- ধর্মকেতু, কালকেতু, ফুল্লরা, মুরারীশীল, ভারুদত্ত।
    বণিক খন্ডের চরিত্র – কলিঙ্গরাজ, ধনপতি, শ্রীমন্ত,খুল্লনা।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর চন্ডীমঙ্গল কাব্যের রচনাকাল জ্ঞাপক শ্লোক- ১৭৪৫ শকে (১৮২৩-২৪) খ্রিস্টাব্দ রামজয় বিদ্যাসাগরের সম্পাদনায় কবি মুকুন্দের চন্ডীমঙ্গল সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়। এই গ্রন্থের কয়েকটি ছত্র মুদ্রিত হয়:-
    ‘’শাকে রস রস বেদ – শশাঙ্ক গণিতা।
    কতদিনে দিলা গীত হরের বণিতা।’’
    অর্থাৎ রস= ৬, রস= ৬, বেদ=৪, শশাঙ্ক=১
    সুতরাং ১৪৬৬ শকাব্দ+৭৮= ১৫৪৪ খ্রিস্টাব্দ।

    মুকুন্দ চক্রবর্তীর সবচেয়ে জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য = কালকেতুর উপাখ্যান

    কালকেতু এবং তাঁর স্ত্রী ফুল্লরার স্বর্গীয় নাম = নীলাম্বর ও ছায়া

    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র = কালকেতু

    বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঠগ চরিত্র = ভাড়ুদত্ত

    চট্টগ্রামের ঐতিহ্য নিয়ে রচিত ‘অভয়ামঙ্গল কাব্যের’ রচয়িতা = দ্বিজ রামদেব

    ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি = ময়ূর ভট্ট। তাঁর কাব্যের নাম ‘হাকন্দ পুরাণ’

    ধর্মমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি = ঘনরাম চক্রবর্তী

    ধর্মমঙ্গল কাব্য রচিত দুটি কাহিনী নিয়ে = রাজা হরিশ্চন্দ্র ও লাউসেনের কাহিনী

    রামাই পন্ডিত রচিত গ্রন্থের নাম ‘শূন্য পুরাণ’।

    ঘনরাম চক্রবর্তীর গুরু তাকে ‘কবির’ উপাধি দেন।

    ধর্মমঙ্গল কাব্যে দুটি কাহিনী দেখা যায়। যথা
    ১.রাজা হরিশচন্দ্রের গল্প
    ২.লাউসেনের গল্প

    ধর্মমঙ্গল কাব্যটি 24 টি পালায় বিভক্ত।

    ঘনরাম চক্রবর্তীর কাব্যটির নাম ‘শ্রীধর্মমঙ্গল’।

    ঘনরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল কাব্য ছাড়া অপর একটি গ্রন্থের নাম হলো ‘সত্যনারায়ণ পাঁচালী’।

    ধর্মমঙ্গল কাব্য কে ‘রাঢ়ের জাতীয়’ কাব্য বলে অভিহিত করেছেন সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়।

    যদুনাথের লেখা কাব্যের নাম ‘ধর্মপুরাণ’।
    ‘ধর্মপুরাণ’ সম্পাদনা করেছেন বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়।

    ধর্মমঙ্গল কাব্যের দুইজন প্রধান কবি = রূপরাম চক্রবর্তী ও ঘনরাম চক্রবর্তী

    ধর্মমঙ্গল কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবি = ময়ূরভট্ট, আদি রূপরাম, খেলারাম চক্রবর্তী, মানিকরাম, শ্যাম পণ্ডিত, সীতারাম দাস, রাজারাম দাস, রামদাস আদক, দ্বিজ প্রভুরাম, ঘনরাম চক্রবর্তী, রামচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সহদেব চক্রবর্তী, নরসিংহ বসু।

    খেলারাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গলের কাহিনী নিয়ে রচনা করেন = গৌড়কাব্য

    বাঁকুড়া রায় ধর্মদেবতার নাম।

    অন্নদামঙ্গল কাব্যে বর্ণিত হয়েছে = দেবী অন্নদার বন্দনা

    অন্নদামঙ্গল কাব্যটি আটটি পালায় বিভক্ত।

    অন্নদামঙ্গল কাব্য বিভক্ত = ৩ খণ্ডে (১.অন্নদামঙ্গল, ২.কালিকামঙ্গল বা বিদ্যাসুন্দর কাব্য, ৩.মানসিংহ বা অন্নপূর্ণামঙ্গল)।

    কালিকামঙ্গল বা বিদ্যাসুন্দর কাব্য অন্নদামঙ্গল কাব্যর একটি অংশ মাত্র।

    সমগ্র “অন্নদামঙ্গল” কাব্যের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট ১ম খণ্ড।

    অন্নদামঙ্গল” কাব্যের প্রধান কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।

    রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যটি, 1752 খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়।

    মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।

    ‘যুগ সন্ধিক্ষণের’ কবি বলা হয় রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রকে

    বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।

    ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর সভাকবি ছিলেন = নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের। তার আদেশেই ভারতচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।

    মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় ভারতচন্দ্রকে ‘রায় গুণাকর’ উপাধি দেন।

    কবি ভারতচন্দ্র অন্নদামঙ্গল কাব্যের শুরুতেই গণেশ বন্দনা করেছেন।

    ভারতচন্দ্রের জীবানাবসানের মাধ্যমে অবসান ঘটে = মধ্যযুগের

    ভারতচন্দ্র রায় ‘সত্যনারায়ণ পাঁচালী’ রচনা করেন = ২ টি (হীরালাল রায়, রামচন্দ্র মুনশীর আদেশে)।

    মৈথিলি কবি ভানুদত্তের লেখা সংস্কৃত “রসমঞ্জরী” কাব্যের অনুবাদ করেন = ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর

    ভারতচন্দ্রের অসমাপ্ত রচনা ‘চণ্ডীনাটক’।

    নাগাষ্টক ও গঙ্গাষ্টক নামক ক্ষুদ্র কবিতাদ্বয়ের রচয়িতা = ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর

    অন্নদামঙ্গল কাব্যকে কবি ভারতচন্দ্র ‘নতুন মঙ্গল’ বলে অভিহিত করেছেন।

    ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের কয়েকটি চরিত্র হলো :- ব্যাসদেব, দেবী অন্নপূর্ণা, ঈশ্বরী পাটনী, হরিহোড়

    কালিকামঙ্গল কাব্য রচিত = বিদ্যাসুন্দরের প্রেমকাহিনী অবলম্বনে

    কালিকামঙ্গল কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবি = শ্রীধর কবিরাজ, সাবিরিদ খান, গোবিন্দ দাস, রামপ্রসাদ সেন

    কালিকামঙ্গল কাব্যের আদি কবি =কবি কঙ্ক

    বিদ্যাসুন্দর কাব্যের রচয়িতা = সাবিরিদ খাঁ (কাশ্মীরের বিখ্যাত সংস্কৃত কবি বিলহন এর ‘চৌরপঞ্চাশৎ’ বা ‘চৌরপঞ্চাশিকা’ অবলম্বনে)।

    কালিকামঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি = রাম প্রসাদ সেন। জমিদার কৃষ্ণচন্দ্র তার গানে মুগ্ধ হয়ে তাকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধি দেন। অবশ্য ‘কবিরঞ্জন’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থও আছে।

    শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত = রাম প্রসাদ সেন। দেবী কালীর উদ্দেশ্যে বাংলা ভাষায় ভক্তগীতি রচনার জন্য তিনি বিখ্যাত।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Primary TET 2022 Mock Test

    X